নেত্রকোণাবুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খুলনা
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম
  7. জাতীয়
  8. ঢাকা
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বরিশাল
  11. বিনোদন
  12. ময়মনসিংহ
  13. রংপুর
  14. রাজনীতি
  15. রাজশাহী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলমাকান্দায় ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে ২ টি বাঁশের সেতু নির্মাণ

প্রতিবেদক
admin
৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ন
Link Copied!

 

কলমাকান্দা প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কাঠ ও বাঁশের সেতু নির্মাণের পাশাপাশি বুধবার লেঙ্গুরা ইউনিয়নে দুটি কাঠের সেতু নির্মাণ এবং উদ্বোধন করা হয়েছে। কাউবাড়ী নদীর ওপর নির্মিত দুটি বাঁশের সেতুর উদ্বোধন করেছে খুদে শিক্ষার্থীরা। ডেপুটি স্পিকার বুধবার দূপুরে তাঁর ফেসবুক ফেইজে পোস্টে কাঠ বাঁশের সেতু নিয়ে লিখেন, “আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত লেঙ্গুরাবাসী: আমরা চেষ্ঠা করছি স্থায়ী সেতু নির্মাণের, যতদিন পর্যন্ত না পারব ততদিন পর্যন্ত বিকল্প হিসাবে গতবারের মতো এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য অস্থায়ী সেতু নির্মিত হবে ইনশাআল্লাহ” (৪ নভেম্বর) দূপুরে উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের কাউবাড়ী নদীর ওপর রাধানগর ও জিগাতলা এলাকায় নির্মিত বাঁশের সেতু দুটি উদ্বোধন করা হয়। এ সময় রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সেতু দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।জানা গেছে, রাধানগর বাঁশের সেতুটির দৈর্ঘ্য ১০২ ফুট ও প্রস্থ ৫ ফুট। অন্যদিকে জিগাতলা বাঁশের সেতুটির দৈর্ঘ্য ১০৭ ফুট এবং প্রস্থ ৫ ফুট। সেতু দুটি দিয়ে প্রতিদিন ১৩টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য শত শত শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লেঙ্গুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, কাউবাড়ী নদীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মানুষকে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের চলাচলে ভোগান্তি ছিল বেশি। মানুষের সেই দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির এ-ই উদ্যোগে আপাতত বাঁশের সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এলাকাবাসীর স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পাকা সেতু নির্মাণের দাবিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।লেংগুরা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন মিলন বলেন, এই সেতু দুটি নির্মাণের ফলে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এখন সহজে যাতায়াত করতে পারবে। তবে এটি সাময়িক ব্যবস্থা। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি কাউবাড়ী নদীর ওপর স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণ। এ দাবি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।সেতু দুটি উদ্বোধনের আনন্দের মধ্যেও স্থায়ী পাকা সেতুর দাবি জানিয়েছে খুদে শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, বর্ষাকালে নদী পারাপারে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়। বাঁশের সেতু দিয়ে চলাচল কিছুটা সহজ হলেও নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগের জন্য সেখানে পাকা সেতু প্রয়োজন।রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাঁশের এই সেতু দুটির উদ্বোধন করেছে। এতে তারা খুব আনন্দিত। তবে শিক্ষার্থীসহ এলাকার মানুষের নিরাপদ চলাচলের জন্য এখানে পাকা সেতু নির্মাণ করা জরুরি।