নেত্রকোণাবুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খুলনা
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম
  7. জাতীয়
  8. ঢাকা
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বরিশাল
  11. বিনোদন
  12. ময়মনসিংহ
  13. রংপুর
  14. রাজনীতি
  15. রাজশাহী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলমাকান্দায় রোহিঙ্গা কে ভোটার তালিকায় যুক্ত করায় মামলার জালে চেয়ারম্যানসহ ১৫ জন

প্রতিবেদক
admin
১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ন
Link Copied!

বিশেষ  প্রতিনিধি
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন অফিস ও রংছাতি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্রে জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরির অভিযোগে ১৫ জনের নামে কলমাকান্দা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৯ অক্টোবর রাতে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন অফিসার জিল্লুর রহমান বাদি হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ১৫ জনকে মামলায় আসামি করেছেন। আসামিরা হচ্ছে কাঞ্চন মিয়া (চাকরিচ্যুত), আরিফ মিয়া (চাকরিচ্যুত),স্বরন সরকার হীরা( চাকরিচ্যুত),মনজুরুল মিয়া (পরিচ্ছন্ন কর্মী), ওমর আলী, মোখশেধ আলী ও আনিসুর রহমান পাঠান বাবুল চেয়ারম্যান।
এ ঘটনায় মোঃ কাঞ্চন মিয়া ও মঞ্জুরুল মিয়া কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে গত ২০ জুলাই চাকরিচ্যুত তিনজন, ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল, ওমর আলী এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মঞ্জুরুল মিয়া রয়েছেন বলে জানা গেছে। নির্বাচন অফিস-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত ১১ আগস্ট রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে অফিসের আইডি ব্যবহার করে নূর হালিমা ও মুজিবুর রহমানের এনআইডি তৈরির কাগজপত্র সার্ভারে আপলোড করা হয়। ওই রাতে শুধু তাঁদের দুজনের তথ্যই আপলোড করা হয়েছিল বলে সূত্রটি জানিয়েছে। মুজিবুর রহমানের ফাইল নম্বর ১২১১৫০৭৯১। তাঁর ঠিকানা রংছাতি ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রাম ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।অফিসের আইডি ব্যবহার করে রাতে তথ্য আপলোড করেছিলেন কে, ওই আইডিতে কার কার প্রবেশাধিকার ছিল এবং আবেদনকারীদের পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই করেছিলেন কারা—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা। সার্ভার লগ, সিসিটিভি ফুটেজ ও নিবন্ধনসংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করলে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমানের অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মী মঞ্জুরুল মিয়ার নামও এসেছে। অভিযোগে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সন্দেহের পাশাপাশি অফিসের সিসিটিভি নষ্ট হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কীভাবে এনআইডি নিবন্ধনের কারিগরি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেলেন তা এখন প্রশ্ন উঠেছে। এজাহারভুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে থানা কমিটির সদস্য বলে জানা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন আমাদের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য নেই। বাইরে থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সনদ তৈরি করে নিতে পারে তারা। অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই ৩ জন আউটসোর্সিং কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান ২ মার্চ বদলির সূত্রে কলমাকান্দায় যোগ দেন। তাঁর যোগদানের আগের সময়ের কিছু ভোটার নিবন্ধন নিয়েও তদন্ত চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। ফলে অনিয়মের সময়কাল, সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব এবং চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্তের ভিত্তি খতিয়ে দেখা জরুরি।কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা দুজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা হলেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার ধারিয়া গ্রামের আনিছ মিয়ার ছেলে কাঞ্চন মিয়া (২৯) এবং শেরপুর সদর উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মঞ্জুরুল মিয়া। মঞ্জুরুল মিয়া কলমাকান্দা নির্বাচন অফিসে কর্মরত