নেত্রকোণাবুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খুলনা
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম
  7. জাতীয়
  8. ঢাকা
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বরিশাল
  11. বিনোদন
  12. ময়মনসিংহ
  13. রংপুর
  14. রাজনীতি
  15. রাজশাহী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইংরেজি-গণিতে বেশি ফেল, আইসিটিতে সাফল্য

প্রতিবেদক
admin
১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ন
Link Copied!

চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ইংরেজি ও গণিতে তুলনামূলক বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর বিপরীতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে সব শিক্ষা বোর্ডেই সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

ইংরেজি-গণিতে পিছিয়ে শিক্ষার্থীরা
ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ইংরেজিতে ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং গণিতে ৮২ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন।

রাজশাহী বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং গণিতে ৭৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। কুমিল্লা বোর্ডে ইংরেজিতে ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং গণিতে ৮১ দশমিক ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

যশোর বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং গণিতে ৮৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে ইংরেজিতে ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং গণিতে ৮০ দশমিক ০৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

বরিশাল বোর্ডে ইংরেজিতে ৬৯ দশমিক ২৪ শতাংশ ও গণিতে ৭৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে ইংরেজিতে ৬৯ দশমিক ১১ শতাংশ ও গণিতে ৭৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

দিনাজপুর বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং গণিতে ৭১ দশমিক ০৫ শতাংশ। ময়মনসিংহ বোর্ডে এ হার যথাক্রমে ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ ও ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ এবং গণিতে ৬৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ, তবে গণিতে তা ৭০ দশমিক ৯২ শতাংশ।

অধিকাংশ বোর্ডেই ইংরেজি ও গণিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। বিশেষ করে, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও দিনাজপুর বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম।

আইসিটিতে স্বস্তি
ইংরেজি ও গণিতে যখন বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী আটকে গেছেন, তখন আইসিটি বিষয়ে দেখা গেছে বিপরীত চিত্র। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সব শিক্ষা বোর্ডেই আইসিটি বিষয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন।

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাড়তি সম্পৃক্ততা এবং বিষয়টির তুলনামূলক ব্যবহারিক চরিত্রের কারণে আইসিটিতে ভালো ফল হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সার্বিক পাসের হার কমেছে
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর সারা দেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।

এক বছরের ব্যবধানে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুই ক্ষেত্রেই বড় পতন হয়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। ফলে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট।

এবারের ফল প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, “ফলাফল খারাপ নয়, বরং সুন্দর হয়েছে।”

তিনি বলেন, “মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে তো আর নম্বর দেওয়া যায় না।”

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন জানিয়েছেন, কৃত্রিমভাবে জিপিএ বা নম্বর বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে এবার মূল্যায়ন করা হয়েছে।

 

ঢাকা/এএএম/রফিক

Source link